Header Ads

Header ADS

পলিমার সম্পর্কিত জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

 


প্রিয় শিক্ষার্থীরা তোমরা যারা ব্যবসায় ও মানবিক এ পড়াশোনা কর। তোমাদের কাছে বিজ্ঞান একটু কঠিন মনে হয়। তোমাদের বিজ্ঞান পড়া সহজ করার  জন্য আমাদের ছোট প্রয়াস। আশা করছি তোমাদের বিজ্ঞানের পলিমার অধ্যায়টি সহজ মনে হবে।


পলিমার সম্পর্কিত জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর 

১.পলিমার কি?

উত্তর: পলিমার হল একই ধরনের অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু দ্বারা গঠিত বৃহৎ অণু।

২. পলিথিন কাকে বলে?

উত্তর: ইথিলিনের পলিমারকরন বিক্রিয়ায় যে অদ্রবণীয় পদার্থ সৃষ্টি হয় তাকে পলিথিন বলে।

৩. পলিমারকরণ প্রক্রিয়া কি?

উত্তর: পলিমারকরন প্রক্রিয়া হলো মনোমার সংযুক্ত করে পলিমার তৈরির প্রক্রিয়া।

৪. কাকে তন্তুর রানী বলা হয়?

উত্তর: রেশমকে তন্তুর রানী বলা হয়।

৫. কটন লিন্ট কাকে বলে?

উত্তর: জিনিং প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত তন্তুকে কটন লিন্ট বলে।

৬. তন্তু কি?

উত্তর: বয়নশিল্পে যেসব আশ দিয়ে বয়ন ও বুননের কাজ সম্ভব সেগুলোই তন্তু।

৭. প্রাকৃতিক পলিমার কাকে বলে?

উত্তর: যে সমস্ত পলিমার প্রকৃতিতে পাওয়া যায় তাদেরকেই প্রাকৃতিক পলিমার বলে।

৮. কোকুন কাকে বলে?

উত্তর: রেশম পোকা থেকে রেশম তন্তু সমৃদ্ধ এক ধরনের গুটি তৈরি হয় যাকে কোকুণ বলে।

৯. পুল্ড উল কি?

উত্তর:  মৃত বা জবাই করা মেষ থেকে সংগ্রহ করা উলকে পুল্ড উল বলে।

১০. ফ্লিস উল কি?

উত্তর: জীবন্ত মেষ থেকে যে উল সংগ্রহ করা হয় তাকে ফ্লিস উল বলে।

১১. নন সেলুলোজিক তন্তু কাকে বলে?

উত্তর: যেসব কৃত্রিম তন্তু সেলুলোজ থেকে তৈরি না করে অন্য পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা হয় তাকে নন সেলুলজিক তন্তু বলে।

১২. মনোমার কি?

উত্তর: পলিমার যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু দ্বারা গঠিত হয় তাদের মনোমার বলে।

১৩. প্লাস্টিক শব্দের অর্থ কি?

উত্তর: প্লাস্টিক শব্দের অর্থ হলো সহজে ছাঁচযোগ্য।

১৪. থার্মোপ্লাস্টিক কাকে বলে?

উত্তর: যে সকল প্লাস্টিক কে তাপ দিলে নরম হয় এবং ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়, তাদের কে থার্মোপ্লাস্টিক বলে।

১৫. পলিমার এর ক্ষুদ্রতম অনুকে কি বলে?

উত্তর: পলিমার এর ক্ষুদ্রতম অনুকে কি বলে?

১৬. হেলকিং কি?

উত্তর: লিনেন তন্তু হতে মিহি মসৃণ ও সরু সুতা তৈরির উদ্দেশ্যে যে বিশেষ ধরনের কম্বিং করা হয় তাকে হেলকিং বলে।

১৭. স্পিনারেট কাকে বলে?

উত্তর: যে যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে সুতার নাল বের হয় তাকে স্পিনারেট বলে।

১৮. অ্যাসবেষ্টস কাকে বলে?

উত্তর: খনিগর্ভে কঠিন শিলামাটির তলদেশে স্তরে স্তরে যে আশ জমা হয় তাকে অ্যাসবেষ্টস বলে।

১৯. প্রথম উদ্ভাবিত সিনথেটিক তন্তু কি?

উত্তর: প্রথম উদ্ভাবিত সিনথেটিক তন্তু নাইলন।

২০. প্রাকৃতিক আশের মধ্যে সবচেয়ে শক্ত আশ কোনটি?

উত্তর: রেশম না সিল্ক।

২১. সেলুলজিক তন্তুর ওপর নাম কি?

উত্তর: রিজেনারেটিভ তন্তু।

২২. সুতা তৈরির মূল উপাদান কোনটি?

উত্তর: সুতা তৈরির মূল উপাদান কটন লিন্ট।

২৩. পলিথিন কি দিয়ে তৈরি হয়?

উত্তর: ইথিলিন।

২৪. গ্রীক শব্দ ' মেরোস ' এর অর্থ কি?

উত্তর: অংশ।

২৪. বাকেলাইট কিসের পলিমার?

উত্তর: ফেনল ও ফর্মালডিহাইড এর পলিমার।

২৫. পলিথিন কোন মনোমার থেকে তৈরি?

উত্তর: ইথিলিন

২৬. PVC কোন মনোমার থেকে তৈরি?

উত্তর: ভিনাইল ক্লোরাইড

২৭. বাকেলাইট কোন মনোমার হতে তৈরি?

উত্তর: ফেনল ও ফরমালডিহাইড

২৮. বাকেলাইট হতে কি তৈরি হয়?

উত্তর: বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড

২৯. কোন পলিমার হতে মেলামাইন এর থালাবাসন তৈরি হয়?

উত্তর: মেলামাইন রেজিন

৩০. মেলামাইন এর থালাবাসন কোন কোন মনোমার হতে তৈরি?

উত্তর: মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড

৩১. প্রাকৃতিক পলিমার কোনগুলো?

উত্তর: পাট, সিল্ক, সুতি কাপড়, রাবার ইত্যাদি।

৩২. কৃত্রিম পলিমার কোনগুলো?

উত্তর: মেলামাইন রেজিন, বাকেলাইট, পিভিসি, পলিথিন ইত্যাদি।

৩৩. কৃত্রিম পলিমার কি?

উত্তর: যে সকল পলিমার প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, শিল্প কারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে হয় তাকে কৃত্রিম পলিমার বলে।

৩৪. ইথিলন থেকে পলিথিন তৈরিতে কত বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রয়োজন?

উত্তর: ১০০০ থেকে ১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ।

৩৫. পলিথিন তৈরিতে ইথিলন গ্যাসকে কত তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করতে হয়?

উত্তর: ২০০° সেলসিয়াস।

৩৬. পলিথিন পলিমারকরন দ্রুত করতে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: অক্সিজেনর গ্যাস।

৩৭. বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পলিমার তৈরিতে কোন প্রভাবক ব্যাবহার করা হয়?

উত্তর: টাইটেনিয়াম ক্লোরাইড।

৩৮. সুতা তৈরি হয় কি দিয়ে?

উত্তর: তন্তু থেকে সুতা তৈরি হয়।

৩৯. তন্তু থেকে কি কি তৈরি হয়?

উত্তর: সুতা, কার্পেট, ফিল্টার, তড়িৎ নিরোধক ইত্যাদি।

৪০. তন্তু উৎস অনুযায়ী কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর: তন্তু উৎস অনুযায়ী দুই প্রকার । যথা: প্রাকৃতিক তন্তু ও কৃত্রিম তন্তু।

৪১. প্রাকৃতিক তন্তু কোনগুলো?

উত্তর: সুতি কাপড় তৈরির জন্য তুলা (cotton), পাট, লিনেন, রেশম, উল, সিল্ক, অ্যাসবেস্টস, ধাতব তন্তু ইত্যাদি প্রাকৃতিক তন্তু।

৪২. কৃত্রিম তন্তু কোনগুলো?

উত্তর: পলিস্টার, রেয়ন, ডেক্রণ, নাইলন ইত্যাদি কৃত্রিম তন্তু।

৪৩. উদ্ভিজ্জ তন্তু কাকে বলে?

উত্তর: প্রাকৃতিক তন্তুর মধ্যে যেগুলো উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায় তাকে উদ্ভিদ তন্তু বলে।

৪৪. উদ্ভিজ্জ তন্তু কোনগুলো?

উত্তর: পাট ও তুলা উদ্ভিজ্জ তন্তু।

৪৫. প্রাণিজ তন্তু কি?

উত্তর: প্রাকৃতিক তন্তুর মধ্যে যেগুলো প্রাণী থেকে পাওয়া যায় তাদেরকে প্রাণিজ তন্তু বলে।

৪৬. প্রাণিজ তন্তু কোনগুলো?

উত্তর: রেশম ও পশম প্রাণিজ তন্তু।

৪৭. খনিজ তন্তু কি?

উত্তর: যে সকল ধাতব তন্তু খনিতে পাওয়া যায় তাদেরকে খনিজ তন্তু বলে। যেমন: তামা, রূপা, সোনা ইত্যাদি।

৪৮. কৃত্রিম তন্তু কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তর: কৃত্রিম তন্তু দুই প্রকার। যথা: সেলুলোজিক তন্তু ও নন সেলুলোজিক তন্তু।

৪৯. সেলুলোজ কি?

উত্তর: উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ তৈরিকারী এক ধরনের সূক্ষ্ম আঁশযুক্ত পদার্থকে সেলুলোজ বলে।

৫০. সেলুলোজিক তন্তু কাকে বলে?

উত্তর: উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ সেলুলোজ কে নানাভাবে প্রক্রিয়াজাত করে যে তন্তু তৈরি করা হয় তাকে সেলুলজিক তন্তু বলে।

৫১. সেলুলোজিক তন্তু কোনগুলো?

উত্তর: রেয়ন, অ্যাসিটেট রেয়ন, ভিসকোস রেয়ন, কিউপ্রামোনিয়াম রেয়ন ইত্যাদি।

৫২. নন সেলুলোজিক তন্তু কাকে বলে?

উত্তর: যে সব কৃত্রিম তন্তু সেলুলোজ থেকে তৈরি না করে অন্য পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা হয় তাকে নন সেলুলোজিক তন্তু বলে।

৫৩. নন সেলুলোজিক কৃত্রিম তন্তু কোনগুলো?

উত্তর: নাইলন, পলিষ্টার, পলি প্রোপিন, ডেক্রন ইত্যাদি।

৫৪. একটি পোশাক আরামদায়ক কিনা তা কিসের উপর নির্ভর করে?

উত্তর: পোশাক কি ধরনের কাপড় দিয়ে তৈরি তার উপর নির্ভর করে পোশাক আরামদায়ক কিনা।

৫৫. গরমের দিনে আমরা সুতির পোশাক পড়তে সাচ্ছন্দ্যবোধ করি কেন?

উত্তর: সুতির তাপ পরিবহন ও পরিচলন ক্ষমতা বেশি তাই গরমের দিনে আমরা সুতির পোশাক পড়তে স্বচ্ছন্দবোধ করি।

৫৬. প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ তন্তুর মধ্যে কোনটি প্রধান?

উত্তর: প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ তন্তুর মধ্যে সুতা প্রধান।

৫৭. অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে সুতির তন্তু কে কেমন দেখায়?

উত্তর: অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে সুতির তন্তু কে নলের মত দেখায়।

৫৮. সুতির তন্তুর নল কোন পদার্থে পূর্ণ থাকে?

উত্তর: সুতির তন্তুর নল লুমেন নামক পদার্থে পূর্ণ থাকে।

৫৯. সুতির তন্তুর মধ্যকার নলের লুমেন শুকিয়ে গেলে কেমন রূপ ধারণ করে?

উত্তর: তন্তুর লুমেন শুকিয়ে গেলে তন্তু ধীরে ধীরে চ্যাপটা হয়ে ফিতার রূপ ধারণ করে।

৬০. ফিতার মত সুতির আশে কতটি পর্যন্ত পাক বা মোচড় থাকে?

উত্তর: ১০০ থেকে ২৫০ টি।

৬১. সুতি কাপড় টেকসই হয় কেনো?

উত্তর: সুতির তন্তু থেকে কাপড় তৈরির সময় পাকানো বা মোচড়ানো অংশ একে অপরের সাথে সুন্দরভাবে মিশে যায় বলে সুতির কাপড় টেকসই হয়।

৬২. আপাত দৃষ্টিতে সুতির কাপড় কেমন?

উত্তর: আপাত দৃষ্টিতে সুতির কাপড় তেমন উজ্জ্বল নয়।

৬৩. কিভাবে সুতির কাপড়কে উজ্জ্বল ও চকচকে করে তোলা যায়?

উত্তর: ময়েশ্চারাইজেশন এর মাধ্যমে সুতির কাপড়কে উজ্জ্বল ও চকচকে করে তোলা যায়।

৬৪. কোন তন্তুতে রং করা হলে রং পাকা হয়?

উত্তর: সুতির কাপড়ে রং করা হলে রং পাকা হয়।

৬৫. কোন এসিডের সংস্পর্শে সুতির কাপড় নষ্ট হয়?

উত্তর: অজৈব এসিডের সংস্পর্শে সুতির কাপড় নষ্ট হয়।

৬৬. কোন এসিড সুতির কাপড় এর তেমন কোন ক্ষতি করতে পারে না?

উত্তর: জৈব এসিড।

৬৭. সুতি কাপড় ব্যাবহারের প্রধান সীমাবদ্ধতা কি?

উত্তর: সুতির কাপড় ব্যাবহারের প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো সুতির কাপড় সংকুচিত হয়ে যায়।

৬৮. আমরা রাজা রানীর পোশাক বলতে কোন পোশাককে বুঝি?

উত্তর: আমরা রাজা রানীর পোশাক বলতে রেশম বা সিল্কের পোশাককে বুঝি।

৬৯. বিলাসবহুল পোশাক তৈরিতে কোন তন্তু ব্যাবহৃত হয়?

উত্তর: রেশম তন্তু।

৭০. রেশমের প্রধান গুন কোনটি?

উত্তর: সৌন্দর্য্য।

৭১. কত রঙের রেশম পাওয়া যায়?

উত্তর: ৩০০ এর অধিক।

৭২. রেশম তন্তু কোথা থেকে আহরন করা হয়?

উত্তর: রেশম বা পলু পোকা নামে এক প্রজাতির পোকার গুটি থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় রেশমের তন্তু আহরন করা হয়।

৭৩. রেশম কোন প্রোটিন হতে তৈরি?

উত্তর: রেশম ফাইব্রেয়ন (Fibrion) নামের এক ধরনের প্রোটিন জাতীয় পদার্থ হতে তৈরি।

৭৪. প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে শক্ত ও দীর্ঘ?

উত্তর: প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশম সবচেয়ে শক্ত ও দীর্ঘ।

৭৫. কোন তন্তু কে তন্তুর রানী বলা হয়?

উত্তর: রেশম তন্তু কে তন্তুর রানী বলা হয়।

৭৬. রেশম কিভাবে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়?

উত্তর: রেশমকে দীর্ঘক্ষণ সূর্যালোকে রাখলে রেশম তারাতারি নষ্ট হয়।

৭৭. কোন পোশাক বেশি উষ্ণ?

উত্তর: রেশম পোশাক বেশি উষ্ণ।

৭৮. কোন পোশাক হালকা এবং খুবই অল্প জায়গায় বেশি রাখা যায়?

উত্তর: রেশম পোশাক হালকা এবং খুবই অল্প জায়গায় বেশি রাখা যায়।

৭৯. আমরা শীত হতে বাঁচার জন্য কোন পোশাক ব্যাবহার করি?

উত্তর: আমরা শীত হতে বাঁচার জন্য পশম বা উলের পোশাক ব্যাবহার করি।

৮০. পশমি পোশাক কেন শীত নিবারণে বহুল ব্যবহৃত?

উত্তর: তাপ কুপরিবাহী বলে পশমি পোশাক শীত নিবারণে বহুল ব্যবহৃত।

৮১. উল বা পশমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য কোনগুলো?

উত্তর: নমনীয়তা, স্থিতিস্থাপকতা, কুঞ্চন প্রতিরোধ ক্ষমতা, রং ধারণ ক্ষমতা ইত্যাদি উল বা পশমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।

৮২. উলের কাপড় তাপ কুপরিবাহী হয় কেন?

উত্তর: উলের তন্তুর মধ্যে ফাঁকা জায়গা থাকে যেখানে বাতাস আটকে থাকতে পারে। বাতাস তাপ অপরিবাহী তাই পশম বা উলের কাপড় তাপ কুপরিবাহী।

৮৩. পশমি কাপড় গায়ে দিলে আমরা গরম অনুভব করি কেন?

উত্তর: পশমি কাপড় গায়ে দিলে শীতের দিনে শরীর থেকে তাপ বেরিয়ে যেতে পারে না, তাই পশমি কাপড় গায়ে দিলে আমরা গরম অনুভব করি।

৮৪. কোন ধরনের এসিড ও ক্ষার উলের তেমন ক্ষতি করতে পারে না?

উত্তর: লঘু এসিড ও ক্ষার উলের তেমন ক্ষতি করতে পারে না।

৮৫. কোন পোকা পশম তন্তু নষ্ট করে?

উত্তর: মথ পোকা পশম তন্তু নষ্ট করে।

৮৬. কোন পরজীবী পশম তন্তু কে সহজে নষ্ট করে দিতে পারে?

উত্তর: ছত্রাক পশম তন্তু কে সহজে নষ্ট করে দিতে পারে।

৮৭. কোনটি অতি প্রাচীন তন্তু?

উত্তর: পশম একটি অতি প্রাচীন তন্তু।

৮৮. পশম কোথায় উৎপন্ন হয়?

উত্তর: বিভিন্ন জাতের ভেড়া বা মেষের লোম থেকে পশম উৎপন্ন হয়।

৮৯. কয়টি জাতের মেষ থেকে পশম উৎপন্ন হয়?

উত্তর: ৪০ জাতের।

৯০. ৪০ জাতের মেষ থেকে কত ধরনের পশম তৈরি করা হয়?

উত্তর: ২০০ ধরনের।

৯১. মানুষের চুল ও নখে কোন প্রোটিন থাকে?

উত্তর: কেরাটিন (keratin)

৯২. পশম তন্তু কোন প্রোটিন হইতে তৈরি?

উত্তর: কেরাটিন।

৯৩. উল্লেখযোগ্য পশম কোনগুলো?

উত্তর: আলপাকা, মহেরা, কাশ্মীও, ভিকুনা উল্লেখযোগ্য পশম।

৯৪. কৃত্রিম নন সেলুলোজিক তন্তুর মধ্যে সর্বপ্রধান কোনটি?

উত্তর: কৃত্রিম নন সেলুলোজিক তন্তুর মধ্যে সর্বপ্রধান নাইলন।

৯৫. নাইলন কিসের পলিমার?

উত্তর: নাইলন এডিপিক এসিড এবং হেক্সামিথিলিনিন ডাই এ্যামিন এর পলিমার।

৯৬. নাইলন কয়টি মনোমার হতে তৈরি এবং মনোমার গুলো কি?

উত্তর: নাইলন ২ টি মনোমার হইতে তৈরি।যথা: এডিপিক এসিড এবং হেক্সামিথিলিনিন ডাই এ্যামিন ।

৯৭. নাইলনকে প্রধানত কয়টি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় এবং কি কি?

উত্তর: নাইলনকে প্রধানত ২ টি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যথা: নাইলন -৬৬ এবং নাইলন -৬

৯৮. নাইলন এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য কোনগুলো?

উত্তর: নাইলন খুব হালকা ও শক্ত, নাইলন ভিজলে এর স্থিতিস্থাপকতা দ্বিগুণ হয়, নাইলন আগুনে পোড়ে না।

৯৯. নাইলন গলে গিয়ে কি গঠন করে?

উত্তর: নাইলন গলে গিয়ে বোরাক্স বিড (Borax bead) এর মতো স্বচ্ছ বিড গঠন করে।

১০০. বোরাক্স বিড কেমন?

উত্তর: স্বচ্ছ।

১০১. নাইলন থেকে ব্যাবহার উপযোগী কি কি সামগ্রী তৈরি করা হয়?

উত্তর: কার্পেট, দড়ি, টায়ার, প্যারাসুটের কাপড় ইত্যাদি তৈরী করা হয়

১০২. কৃত্রিম তন্তুর মধ্যে প্রধান ও প্রথম তন্তু কোনটি?

উত্তর: কৃত্রিম তন্তুর মধ্যে প্রধান ও প্রথম তন্তু রেয়ন।

১০৩. রেয়ন কি দিয়ে তৈরি করা হয়?

উত্তর: উদ্ভিজ্জ সেলুলোজ ও প্রাণিজ পদার্থ থেকে রেয়ন তৈরি করা হয়।

১০৪. রেয়ন এর মনোমার কোনগুলো?

উত্তর: উদ্ভিজ্জ সেলুলোজ ও প্রাণিজ পদার্থ।

১০৫. রেয়ন প্রধানত কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর: রেয়ন প্রধানত ৩ প্রকার। যথা: ১) ভিসকোস, ২) কিউপ্রামোনিয়াম এবং ৩) অ্যাসিটেট।

১০৬. রেয়ন এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য কোনগুলো?

উত্তর: রেয়ন সুন্দর, উজ্জ্বল, মনোরম, অভিজাত, আকর্ষণীয় এবং মোটামুটি টেকসই।

১০৭. রেয়ন কার সাথে বিক্রিয়া করে এবং কার সাথে বিক্রিয়া করে না?

উত্তর: রেয়ন লঘু এসিডের সাথে তেমন কোন বিক্রিয়া করে না কিন্তু ধাতব লবণে সহজে বিক্রিয়া করে।

১০৮. অধিক উত্তাপে রেয়ন এর কি পরিবর্তন হয়?

উত্তর: অধিক উত্তাপে রেয়ন গলে যায়।

১০৯. বেশি গরম ইস্ত্রি কোন কাপড়ে ব্যাবহার করা যায়না?

উত্তর: বেশি গরম ইস্ত্রি রেয়ন কাপড়ে ব্যাবহার করা যায় না।

১১০. বেশি গরম ইস্ত্রি রেয়ন কাপড়ে ব্যাবহার করা যায় না কেন?

উত্তর: বেশি গরম ইস্ত্রি রেয়ন কাপড়ে ব্যাবহার করা যায় না, কারণ বেশি গরমে রেয়ন গলে যায়।

১১১. তন্তু থেকে সুতা তৈরি হওয়া কিসের উপর নির্ভর করে?

উত্তর: তন্তু থেকে সুতা কোন প্রক্রিয়ায় তৈরি হবে তা নির্ভর করে তন্তুর বৈশিষ্ট্যের উপর।

১১২. যে কোন সুতা তৈরির প্রধান ধাপ কোনটি?

উত্তর: যে কোন সুতা তৈরির প্রধান ধাপ হলো তন্তু সংগ্রহ।

১১৩. কোন ফলের বীজ হতে তুলা সংগ্রহ করা হয়?

উত্তর: কার্পাস ফলের বীজ হতে তুলা সংগ্রহ করা হয়।

১১৪. কার্পাস ফলের বীজ হতে তুলা সংগ্রহ করার প্রক্রিয়াকে কি বলে?

উত্তর: জিনিং

১১৫. জিনিং কি?

উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় বীজ থেকে তুলা আলাদা করা হয় সেই প্রক্রিয়াকে জিনিং বলে।

১১৬. জিনিং প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত তন্তু কে কি বলে?

উত্তর: কটন লিন্ট

১১৭. গাট কিভাবে তৈরি করা হয়?

উত্তর: অনেকগুলো কটন লিন্ট একসাথে বেধে গাট তৈরি করা হয়।

১১৮. সুতা কাটা হয় কোন মিলে?

উত্তর: স্পিনিং মিলে।

১১৯. শন ও তিসির তন্তু কোথা হতে সংগ্রহ করা হয়?

উত্তর: শন ও তিসির তন্তু সরাসরি গাছের বাকল হতে সংগ্রহ করা হয়।

১২০. গাছের বাকল হতে তন্তু সংগ্রহ করা হয় কোন উদ্ভিদ থেকে?

উত্তর: পাট বা পাট জাতীয় উদ্ভিদ হতে যেমন: শন ও তিসি।

১২১. পাট থেকে পাতা ঝরাতে কত দিন সময় লাগে?

উত্তর: ৫-৮ দিন।

১২২. পাট থেকে পাতা ঝরাতে কোন দিকে খেয়াল রাখতে হবে?

উত্তর: পাতা যেন পুরোপুরি পচে না যায়।

১২৩. পাটের পাতা পুরোপুরি পচে গেলে কি সমস্যা হবে?

উত্তর: পাটের পাতা পুরোপুরি পচে গেলে পাতা গাছের সাথে লেগে যায় যা ছাড়ানো কষ্টসাধ্য।

১২৪. পাট থেকে পাতা ঝরানোর পাট কেটে জড়ো করে রাখলে কি বলে?

উত্তর: চেল্লা বা পিল।

১২৫. পাট থেকে আশ ছড়ানোর জন্য পাটকে কতদিন পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়?

১২৬. ব্লেন্ডিং কি?

উত্তর: কারখানায় বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে গুচ্ছাকারে থাকা তন্তু কে যথাসম্ভব ছোট গুচ্ছে পরিণত করাকে ব্লেন্ডিং বলে।

১২৭. মিক্সিং কি?

উত্তর: ব্লেন্ডিং করার পর বিভিন্ন রকমের তুলার মিশ্রন তৈরি করা হয়, একে মিক্সিং বলা হয়।

১২৮. সুতা তৈরির সময় ব্লেন্ডিং ও মিক্সিং করা হয় কেনো?

উত্তর: তন্তু থেকে অপ্রয়োজনীয় আবর্জনা বাদ দিয়ে একই মানের সুতা তৈরিতে ব্লেন্ডিং ও মিক্সিং করা হয়।

১২৯. মিক্সিং করা কেন প্রয়োজন?

উত্তর: সবসময় একই মানের তুলা পাওয়া সম্ভব নয়, তাই সুতার মান একই রাখতে সুতা তৈরিতে মিক্সিং করা প্রয়োজন।

১৩০. বেল বা গাট থেকে তুলার মিশ্রন তৈরি করাকে কি বলে?

উত্তর: ব্লেন্ডিং ও মিক্সিং।

১৩১. পাটের বেলায় ব্লেন্ডিং ও মিক্সিং করাকে কি বলে?

উত্তর: ব্যাচিং (Batching).

১৩২. কার্ডিং ও কম্বিং কাকে বলে?

উত্তর: সুতা কাটার দ্বিতীয় ধাপে ব্যাবহার অনুপযোগী অতি ক্ষুদ্র তন্তুকে বাদ দেওয়াকে কার্ডিং এবং মিহি মসৃণ ও সরু সুতা তৈরি করাকে কম্বিং বলা হয়।

১৩৩. হেলকিং কি?

উত্তর: লিনেন তন্তুর বেলায় যে বিশেষ ধরনের কম্বিং করা হয় তাকে হেলকিং বলা হয়।

১৩৪. হেলকিং করে কেমন সুতা পাওয়া যায়?

উত্তর: হেলকিং করলে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও মিহি সুতা পাওয়া যায়।

১৩৫. স্লাইভার কি?

উত্তর: কার্ডিং ও কম্বিং করে প্রাপ্ত তন্তু যে পাতলা আস্তরের মত হয় তাকে স্লাইভার বলে।

১৩৬. স্লাইভারকে টেনে সরু করার প্রক্রিয়াকে কি বলে?

উত্তর: রোডিং আর টুইস্টিং।

১৩৭. সুতা পাকানো কে কি বলে?

উত্তর: স্পিনিং।

১৩৮. স্লাইভার থেকে কিভাবে সুতা তৈরি করা হয়।

উত্তর: স্লাইভার পাকালেই সুতা তৈরি হয়।

১৩৯. সুতা শক্ত বা নরম কিভাবে করা হয়?

উত্তর: পাকানো বা মোচড় কম বেশি করে সুতা শক্ত বা নরম করা হয়।

১৪০. কোন তন্তুর বেলায় বেশি মোচরের প্রয়োজন?

উত্তর: সাধারণত লম্বা তন্তুর বেলায় তুলনামূলক বেশি মোচড় দিতে হয় যেমন পাট বা লিনেন।

১৪১. সুতা কোন যন্ত্রের মাধ্যমে পাকানো হয়?

উত্তর: টুইস্ট কাউন্টার (Twist counter).

১৪২. কোকুনকে কেমন পানিতে সিদ্ধ করা হয়?

উত্তর: সাবান মিশ্রিত পানিতে।

১৪২. চিকন ও মিহি সুতা তৈরিতে কয়টি সুতার নাল একসাথে পাকানো হয়?

উত্তর: ৫-৭ টি।

১৪৩. মোটা ও শক্ত রেশমি সুতা পেতে হলে কয়টি নাল নিয়ে সুতা পাকাতে হবে?

উত্তর: ১৫-২০ টি।

১৪৪. স্পিনিং দ্রবণ কি?

উত্তর: একের অধিক ক্ষুদ্র আশ ও উপযুক্ত দ্রাবকের সাহায্যে যে আঠালো দ্রবণ তৈরি করা হয় তাকে স্পিনিং দ্রবণ বলে।

১৪৫. কৃত্রিম তন্তু হতে সুতা তৈরির জন্য কোন দ্রবণ প্রয়োজন?

উত্তর: স্পিনিং দ্রবণ।

১৪৬. কৃত্রিম তন্তু হতে সুতা তৈরির জন্য কোন যন্ত্র প্রয়োজন?

উত্তর: স্পিনারেট যন্ত্র।

১৪৭. পেন্সিলের লেখা মোছার ইরেজার কিসের তৈরি?

উত্তর: রাবার

১৪৮. রাবারের তৈরি সামগ্রী কোনগুলো?

উত্তর: পানির পাইপ, সার্জিক্যাল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল ইত্যাদি।

১৪৯. প্রাকৃতিক রাবার কি?

উত্তর: প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয় একটি অদানাদার কঠিন পদার্থ।

১৫০. কোন জৈব দ্রাবকে রাবার অদ্রবণীয়?

উত্তর: এসিটোন ও মিথানল।

১৫১. রাবার দ্রবীভূত হয় কোন জৈব দ্রাবক গুলোতে?

উত্তর: টারপেন্টাইন, পেট্রোল, ইথার, বেনজিন ইত্যাদিতে রাবার দ্রবীভূত হয়।

১৫২. রাবার সাধারণত কোন রঙের হয়?

উত্তর: সাদা ও হালকা বাদামি রঙের।

১৫৩. স্থিতিস্থাপকতার ভিত্তিতে রাবার কেমন পদার্থ?

উত্তর: রাবার একটি স্থিতিস্থাপক পদার্থ অর্থাৎ একে টানলে লম্বা হয় এবং ছেড়ে দিলে আগের অবস্থায় ফিরে আসে।

১৫৪. তাপ প্রয়োগে রাবারের অবস্থার কি পরিবর্তন ঘটে?

উত্তর: রাবার তাপ সংবেদনশীল অর্থাৎ তাপ দিলে গলে যায়।

১৫৫. বিশুদ্ধ রাবারের ধর্ম কোনটি?

উত্তর: বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কু পরিবাহী।

১৫৬. যেকোনো পদার্থে তাপ দিলে তার আয়তনের কি পরিবর্তন ঘটে?

উত্তর: যেকোন পদার্থে তাপ দিলে পদার্থের আয়তন বাড়ে।

১৫৭. রাবারে তাপ দিলে তার আয়তনের কি পরিবর্তন ঘটে?

উত্তর: রাবারে তাপ দিলে তার আয়তন কমে যায়।

১৫৮. রাবারের গুরুত্তপূর্ণ রাসায়নিক ধর্ম কোনগুলো?

উত্তর: রাবার দুর্বল এসিড বা ক্ষার এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে না।

১৫৯. রাবারের রাসায়নিক ধর্মের কারণে কি কাজে রাবার ব্যাবহার করা হয়?

উত্তর: রাবারের রাসায়নিক ধর্মের কারণে এসিড, ক্ষার থেকে রক্ষা পাবার জন্য কোন কিছুর উপর রাবারের প্রলেপ দেওয়া হয়।

১৬০.রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে কি ঘটে?

উত্তর: রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।

১৬১. রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে নষ্ট হবার কারণ কি?

উত্তর: রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষয় প্রাপ্ত হয় বলে দীর্ঘদিন রেখে দিলে রাবার নষ্ট হয়।

১৬২. প্রাকৃতিক রাবার কোন রাসায়নিক পদার্থের সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষয় প্রাপ্ত হয়?

উত্তর: প্রাকৃতিক রাবার ওজন গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষয় প্রাপ্ত হয়।

১৬৩. প্লাস্টিক শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: প্লাষ্টিক শব্দের অর্থ সহজে ছাঁচযোগ্য।

১৬৪. প্লাস্টিকের সামগ্রী কোনগুলো?

উত্তর: মগ, বালতি, জগ, পিভিসি পাইপ, মেলামাইনের থালাবাসন, বাচ্চাদের খেলনা, গাড়ির সিট বেল্ট ইত্যাদি।

১৬৫. প্লাস্টিক কি পানিতে দ্রবীভূত হয়?

উত্তর: না, প্লাষ্টিক পানিতে দ্রবীভূত হয় না।

১৬৬. প্লাস্টিকের গুরুত্তপূর্ণ ধর্ম কি?

উত্তর: পাস্টিক তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবহন করে না এবং গলিত অবস্থায় যেকোনো আকার দেওয়া যায়।

১৬৭. তাপ ও বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে কোন পলিমার এর বহুল ব্যাবহার রয়েছে?

উত্তর: প্লাষ্টিক।

১৬৮. প্লাস্টিক কত প্রকার ও কী কী?

উত্তর: প্লাস্টিক ২ প্রকার। যথা: থার্মোপ্লাস্টিক ও থার্মোসেটিং প্লাস্টিক।

১৬৯. থার্মোপ্লাস্টিক কাকে বলে?

উত্তর: যেসব প্লাস্টিক তাপ দিলে নরম হয়ে যায় এবং গলিত প্লাস্টিক ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায় সেসব প্লাস্টিককে থার্মোপ্লাস্টিক বলে।

১৭০. থার্মোপ্লাস্টিক কোন গুলো?

উত্তর: পলিথিন, পিভিসি পাইপ, বাচ্চাদের খেলনা, পলিস্টার কাপড় ইত্যাদি।

১৭১. থার্মোসেটিং প্লাস্টিক কাকে বলে?

উত্তর: যেসব প্লাস্টিক কে তাপ দিলে নরম হয় না বরং পুড়ে শক্ত হয়ে যায় এবং যাদের একবারের বেশি নির্দিষ্ট আকার দেওয়া যায় না তাদেরকে থার্মোসেটিং প্লাস্টিক বলে।

১৭২. থার্মোসেটিং প্লাস্টিক কোনগুলো?

উত্তর: বাকেলাইট বা বৈদ্যুতিক সুইচ, সকেট, ফ্রাইং প্যান এর হাতল, পানির ট্যাংক ইত্যাদি।

১৭৩. প্লাস্টিক রাসায়নিক ভাবে কেমন?

উত্তর: প্লাস্টিক রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয় অর্থাৎ জলীয় বাষ্প ও অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না এমনকি পাতলা এসিড ও ক্ষার এর সাথে বিক্রিয়া করে না।

১৭৪. কোন এসিড ও ক্ষার এ প্লাস্টিক দ্রবীভূত হয়?

উত্তর: শক্তিশালী বা গাঢ় এসিড ও ক্ষার এ কিছু প্লাস্টিক দ্রবীভূত হয়।

১৭৫. প্লাস্টিক কি দাহ্য পদার্থ?

উত্তর: প্লাস্টিক সাধারণত দাহ্য পদার্থ অর্থাৎ প্লাস্টিক আগুনে ধরলে পুড়তে থাকে এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন হয়।

১৭৬.প্লাস্টিক কি পচনশীল?

উত্তর: না, প্লাস্টিক পচনশীল নয় অর্থাৎ প্লাস্টিক মাটি বা পানিতে দীর্ঘদিন পরে থাকলেও পচে না।

১৭৭. বিজ্ঞানীরা যে বিশেষ ধরনের পচনশীল প্লাস্টিক আবিষ্কার করেছেন তা কোন কাজে ব্যাবহৃত হয়?

উত্তর: হাত পা বা শরীরের কোন অংশ কেটে গেলে তা সেলাইয়ের কাজে ডাক্তারেরা পচনশীল প্লাস্টিক এর সুতা ব্যাবহার করেন।

১৭৮. PVC পোড়ালে কোন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়?

উত্তর: হাইড্রোজেন ক্লোরাইড।

১৭৯. পলিইউরেথেন পোড়ালে কোন গ্যাস উৎপন্ন হয়?

উত্তর: পলিইউরেথেন পোড়ালে কার্বন মনোঅক্সাইড এবং হাইড্রোজেন সায়ানাইড এর মত বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়।

১৮০. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্লাস্টিক এর ব্যাবহার কেমন করা উচিত?

উত্তর: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্লাস্টিক এর পুনর্ব্যাবহার করা উচিত।

*** বর্তমানে কোন প্রভাবকের উপস্থিতিতে পলিথিন তৈরি করা হয়?

উত্তর: TiCl3


  Download This PDF click this link:DOWNLOAD

or
 Click Here For download :  Download

No comments

Powered by Blogger.